যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড (Yuva Sathi Prakalpa Form Download) : রাজ্যের শিক্ষিত অথচ কর্মহীন যুবক-যুবতীদের জন্য এক বিরাট সুখবর নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে এবং চাকরির খোঁজ করার লড়াইয়ে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার নিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ নতুন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যার নাম ‘যুব সাথী প্রকল্প’। আগামী ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে এই নতুন প্রকল্পের ভাতা প্রদান শুরু হতে চলেছে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড করার জন্য ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে এবং সবার মনে একটা ইতিবাচক আশার সঞ্চার হয়েছে। চলুন আজকের এই প্রতিবেদনে আমরা জেনে নিই কীভাবে আপনিও এই সরকারি সুবিধার আওতাভুক্ত হতে পারেন এবং এর জন্য কী কী করতে হবে।
এক নজরে
বেকারদের আশার আলো, কীভাবে করবেন যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের কথা ভেবে এই দুর্দান্ত স্কিমটি চালু হতে চলেছে। পড়াশোনা শেষ করার পর বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিতে গিয়ে অনেক সময় আর্থিক অনটনের সম্মুখীন হতে হয় তরুণ প্রজন্মকে। সেই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনেকেই হয়তো ভাবছেন কীভাবে এই স্কিমের সাথে যুক্ত হওয়া যাবে বা এর নিয়মকানুন কী। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই প্রকল্পের রূপরেখা প্রকাশ করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে সরাসরি ক্যাম্পের মাধ্যমেই যুব সাথী স্কিমের আবেদন পত্র দেওয়া হবে। তাই যারা এই নতুন প্রকল্পের অফলাইন ফর্ম খুঁজছেন বা কীভাবে আবেদন করবেন তা নিয়ে চিন্তায় আছেন, তাদের জন্য সমস্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো।
একদম নিচে পেয়ে যাবেন যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম ডাউনলোডের লিংক
যে কোনো সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট কিছু নিয়মকানুন থাকে। এক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বেশ কিছু স্পষ্ট মানদণ্ড ও শর্তাবলী নির্ধারণ করে দিয়েছে। আপনি যদি যুব সাথী যোজনার ফর্ম পিডিএফ পূরণ করে আর্থিক সহায়তা পেতে চান, তবে আপনাকে প্রথমেই মিলিয়ে নিতে হবে আপনি সরকারের দেওয়া শর্ত অনুযায়ী যোগ্য কিনা।
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে দেখতে গেলে, আবেদনকারীকে ন্যূনতম মাধ্যমিক বা তার সমতুল্য কোনো পরীক্ষায় অবশ্যই উত্তীর্ণ হতে হবে। এটা হলো প্রাথমিক শর্ত। তবে আপনার যদি এর চেয়ে বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকে, যেমন আপনি যদি উচ্চমাধ্যমিক পাস হন, কিংবা স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হন, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই। উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলেও আপনি অনায়াসেই বেকার ভাতার ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারবেন।
বয়সসীমার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার একটি নির্দিষ্ট গণ্ডি বেঁধে দিয়েছে। যে সমস্ত শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের বয়স ২১ বছর থেকে শুরু করে ৪০ বছরের মধ্যে, শুধুমাত্র তারাই এই আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর চেয়ে কম বা বেশি বয়সের প্রার্থীরা কোনোভাবেই আবেদন করার ফর্ম জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন না। তাই যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড করার আগে অবশ্যই নিজের বয়সের সঠিক প্রমাণপত্রটি একবার যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
কারা এই সরকারি আর্থিক সহায়তা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হবেন?
সবাই কিন্তু এই স্কিমের সুবিধা পাবেন না। রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, আপনি যদি ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে দেওয়া অন্য কোনো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন, তবে আপনি এই নতুন সুবিধার জন্য বিবেচিত হবেন না। সরকারের উদ্দেশ্য হলো যারা কোনো রকম সরকারি আর্থিক সাহায্য পাচ্ছেন না, তাদের কাছে এই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
ধরা যাক, আপনি মহিলাদের জন্য চালু থাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন, অথবা কৃষক বন্ধু, প্রতিবন্ধী ভাতা কিংবা যুবশ্রী প্রকল্পের মতো কোনো সরকারি সুবিধা ইতিমধ্যে ভোগ করছেন, তাহলে আপনি আর নতুন করে যুব সাথীর ফর্ম জমা দিতে পারবেন না। এই ধরনের কোনো স্কিমের সুবিধাভোগীরা এই প্রকল্প থেকে সম্পূর্ণ বাদ পড়বেন।
তবে এক্ষেত্রে একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের জন্য। আপনি যদি পড়াশোনা বা শিক্ষা সংক্রান্ত কোনো স্কলারশিপ বা বৃত্তির টাকা পেয়ে থাকেন, তবে তা এই ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। অর্থাৎ স্কলারশিপ প্রাপকরা নিশ্চিন্তে প্রকল্পের আবেদনপত্র জমা দিয়ে এই নতুন ভাতার সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
আবেদন করার সময় আপনার কী কী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতের কাছে রাখতে হবে?
সঠিক নথিপত্র ছাড়া কোনো সরকারি কাজই সম্পন্ন হয় না এবং আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ক্যাম্পে যাওয়ার আগে আপনাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের আসল কপি এবং জেরক্স কপি প্রস্তুত করে রাখতে হবে। স্কিমের ফর্ম পিডিএফ এর সাথে যে সমস্ত নথি যুক্ত করে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক, তার একটি পরিচ্ছন্ন তালিকা নিচে দেওয়া হলো।
- প্রথমত, নিজের সচিত্র পরিচয়পত্র হিসেবে আপনার নিজস্ব ভোটার কার্ডের কপি অবশ্যই লাগবে।
- দ্বিতীয়ত, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নথি হিসেবে আধার কার্ডের জেরক্স দিতে হবে।
- ভাতার টাকা সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাওয়ার জন্য ব্যাংকের পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স, অথবা একটি বাতিল চেক (Cancelled Cheque) জমা দিতে হবে।
- বয়সের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে আপনার মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড সাথে রাখা বাধ্যতামূলক।
- শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট অথবা পাস সার্টিফিকেটের কপি দিতে হবে।
- আপনি যদি কোনো সংরক্ষিত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হন, তবে আপনার নিজস্ব SC, ST বা OBC কাস্ট সার্টিফিকেটের কপি (যদি থাকে) জমা করতে হবে।
এই সমস্ত নথিপত্রগুলি আগে থেকেই গুছিয়ে রাখলে আপনার যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড এবং তা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ ও ঝামেলামুক্ত হয়ে যাবে।
কবে এবং কোথায় মিলবে যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড করার আসল সুবিধা?
রাজ্যবাসী দীর্ঘদিন ধরেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন কবে থেকে এই ফর্ম বিতরণ শুরু হবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই প্রকল্পের ফর্ম জোগাড় করার জন্য আপনাকে সাইবার ক্যাফেতে বা অনলাইনে ছোটাছুটি করতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভাতে বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। সেই নির্দিষ্ট ক্যাম্প থেকেই সরাসরি যুব সাথী যোজনা ফর্ম পাওয়া যাবে।
১. রাজ্যের মোট ২৯৪ টি বিধানসভা কেন্দ্রেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে।
২. আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে শুরু করে ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত টানা এই ক্যাম্পগুলি চলবে।
৩. প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু করে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ক্যাম্পের কাজ চলবে এবং সরকারি আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।
৪. ফর্ম পাওয়ার নিয়ম হলো, আপনাকে ক্যাম্প থেকেই সরাসরি ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করে ওই নির্দিষ্ট ক্যাম্পেই তা জমা করে আসতে হবে।
তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আপনার নিকটবর্তী বিধানসভার ক্যাম্পে পৌঁছে যান এবং আপনার যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড বা সরাসরি সংগ্রহের কাজটি সেরে ফেলুন। এই সুযোগ একবার হাতছাড়া করলে পরে কিন্তু রাজ্যের নতুন স্কিমের ফর্ম পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে যেতে পারে।
একনজরে বিধানসভা ক্যাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচী
পাঠকদের সুবিধার্থে এবং মনে রাখার সুবিধার জন্য ক্যাম্প সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্যটি আমরা একটি সহজ ছকের মাধ্যমে নিচে তুলে ধরছি, যাতে আপনাদের বুঝতে কোনো অসুবিধা না হয় এবং আপনারা সঠিক সময়ে ভাতা পাওয়ার ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেন।
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| ক্যাম্প আয়োজনের স্থান | পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র (মোট ২৯৪ টি) |
| ক্যাম্প শুরুর নির্দিষ্ট তারিখ | ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
| ক্যাম্প শেষের নির্দিষ্ট তারিখ | ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
| ক্যাম্পের সময়সীমা | সকাল ১০ টা থেকে শুরু করে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত |
| ফর্ম সংগ্রহের মাধ্যম | সরাসরি ক্যাম্প থেকে (সম্পূর্ণ অফলাইন প্রক্রিয়ায়) |
| ফর্ম জমা দেওয়ার স্থান | যেখান থেকে ফর্ম নেওয়া হবে, সেই নির্দিষ্ট ক্যাম্পেই জমা করতে হবে |
এই সময়সূচীটি ভালোভাবে খাতায় লিখে বা মাথায় রাখুন, কারণ নির্দিষ্ট তারিখ একবার পেরিয়ে গেলে আর কোনোভাবেই যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড করে বা অফলাইনে সংগ্রহ করে জমা দেওয়ার কোনো সুযোগ আপনার কাছে থাকবে না।
প্রশ্ন: এই নতুন প্রকল্পের মাসিক বা বার্ষিক ভাতার টাকা কবে থেকে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢোকা শুরু হবে?
উত্তর: রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে যোগ্য আবেদনকারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই প্রকল্পের ভাতার টাকা সরাসরি প্রদান করা শুরু হবে। তাই যারা সমস্ত সঠিক তথ্য দিয়ে সফলভাবে আবেদন করবেন, তাদের খুব বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না। এপ্রিল মাস থেকেই সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাওয়া যাবে।
প্রশ্ন: আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক (Graduation), আমি কি এই স্কিমের জন্য আবেদন করতে পারব?
উত্তর: হ্যাঁ, আপনি অবশ্যই আবেদন করতে পারবেন। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আবেদনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হলো মাধ্যমিক পাস। এর উপরে আপনার যত উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাই থাকুক না কেন, আপনি নির্দ্বিধায় যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড বা সংগ্রহ করে তা পূরণ করে ক্যাম্পে জমা দিতে পারবেন। উচ্চশিক্ষিত বেকারদের জন্যই মূলত এই স্কিমটি চালু করা হয়েছে।
প্রশ্ন: আমি কি অনলাইনে ওয়েবসাইট থেকে এই নতুন ভাতার আবেদনপত্র জমা দিতে পারব?
উত্তর: না, এই মুহূর্তে সরকারিভাবে অনলাইনে ওয়েবসাইট মারফত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার কোনো সুবিধা চালু করা হয়নি। ইন্টারনেটে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে হয়তো নতুন ভাতার আবেদনপত্র এর পিডিএফ কপি দেখা যাচ্ছে বা পাওয়া যাচ্ছে, তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে আপনার নিজ নিজ বিধানসভার ক্যাম্প থেকেই ফর্ম নিতে হবে এবং সেখানেই তা যথাযথভাবে হাতে লিখে পূরণ করে সাথে দরকারি নথিপত্র জুড়ে জমা করে আসতে হবে।
প্রশ্ন: যারা ইতিমধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তারা কি এই নতুন প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন?
উত্তর: না, তারা পারবেন না। সরকারি নিয়মে পরিষ্কার করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যারা রাজ্য সরকারের অন্য কোনো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, যেমন- লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক বন্ধু, প্রতিবন্ধী ভাতা বা যুবশ্রী প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন, তারা কোনোভাবেই এই নতুন প্রকল্পের জন্য বিবেচিত হবেন না। শুধুমাত্র শিক্ষামূলক স্কলারশিপ বা বৃত্তির প্রাপকরাই এই যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড করে নিশ্চিন্তে আবেদন করতে পারবেন।
উপসংহার এবং আবেদনকারীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
রাজ্যের কর্মহীন শিক্ষিত সমাজের জন্য এটি সত্যিই একটি যুগান্তকারী এবং অত্যন্ত প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। যারা চাকরির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, এই আর্থিক সহায়তা তাদের পড়াশোনা এবং চাকরির প্রস্তুতিতে অনেকটাই সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়। তাই আর দেরি না করে প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র আজই একসাথে গুছিয়ে রাখুন। আগামী ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আপনার বিধানসভার ক্যাম্পে গিয়ে আপনার যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড বা সংগ্রহের কাজটি খুব দ্রুত সম্পন্ন করুন।
যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম ডাউনলোড করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন
মনে রাখবেন, ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ নথিপত্র দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। তাই সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্ম পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি, নতুবা আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যেতে পারে এবং আপনি এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। রাজ্যের এই অভিনব উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই আপনার হাতছাড়া না হয়, সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। পরিশেষে, আপনার পরিচিত যোগ্য প্রার্থীদেরও এই যুব সাথী প্রকল্প ফর্ম ডাউনলোড সংক্রান্ত খবরটি জানিয়ে তাদেরও এই সুবিধা পেতে সাহায্য করুন।




