স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয় কেন? ব্যাটারি দীর্ঘক্ষণ চালানোর ১০টি উপায় Why does my smartphone battery drain quickly? 10 ways to make my battery last longer

স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া বর্তমানে খুব পরিচিত একটি সমস্যা। সকালে ফোনের চার্জ ১০০ শতাংশ থাকার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যদি ব্যাটারি অনেকটা কমে যায়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্তি তৈরি হয়। বিশেষ করে বাইরে থাকলে বা চার্জ দেওয়ার সুযোগ না থাকলে সমস্যাটি আরও বেশি বোঝা যায়।

তবে সব সময় ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণেই চার্জ দ্রুত শেষ হয় না। স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা, দীর্ঘ সময় ভিডিও দেখা বা গেম খেলা, দুর্বল নেটওয়ার্ক, GPS ও লোকেশন পরিষেবা, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ, অতিরিক্ত নোটিফিকেশন এবং পুরোনো ব্যাটারির স্বাস্থ্য—এসব কারণেও ফোনের চার্জ দ্রুত কমতে পারে।

সঠিক কিছু সেটিংস ও ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করলে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যাটারির চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব। Google-এর Android সহায়তা এবং Apple-এর নির্দেশিকাতেও ব্যাটারি ব্যবহারের তথ্য পর্যবেক্ষণ, স্ক্রিন ও ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং Low Power/Battery Saver-এর মতো সুবিধা ব্যবহারের পরামর্শ রয়েছে। (support.google.com)

তাহলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার কারণ কী এবং কীভাবে দীর্ঘক্ষণ চার্জ ধরে রাখা যায়? চলুন জেনে নেওয়া যাক ১০টি কার্যকর উপায়।

১. স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখুন

স্মার্টফোনের ডিসপ্লে ব্যাটারি ব্যবহারের অন্যতম বড় কারণ হতে পারে। স্ক্রিন যত উজ্জ্বল থাকবে, অনেক ক্ষেত্রে তত বেশি শক্তি ব্যবহার হবে।

তাই প্রয়োজন অনুযায়ী স্ক্রিনের brightness কমিয়ে রাখা যেতে পারে। ফোনে Auto-Brightness বা Adaptive Brightness থাকলে সেটিও ব্যবহার করা যায়।

রোদে বাইরে থাকলে অবশ্যই বেশি উজ্জ্বলতা দরকার হতে পারে। কিন্তু ঘরের ভেতর অপ্রয়োজনীয়ভাবে সর্বোচ্চ brightness ব্যবহার করার দরকার নেই।

Apple-এর ব্যাটারি সংক্রান্ত নির্দেশিকাতেও স্ক্রিনের brightness কমানো এবং Auto-Brightness ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। (support.apple.com)

২. Screen timeout কমিয়ে দিন

অনেক সময় ফোন ব্যবহার না করেও স্ক্রিন কয়েক মিনিট ধরে জ্বলে থাকে। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারি খরচ হয়।

তাই ফোনের Screen Timeout বা Auto-Lock সময় কমিয়ে রাখা যেতে পারে। যেমন, আপনি যদি ৫ মিনিটের পরিবর্তে ৩০ সেকেন্ড বা ১ মিনিটের মতো সময় বেছে নেন, ফোন ব্যবহার না করার পর দ্রুত স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

এটি বিশেষভাবে কাজে আসে যদি ফোন হাতে রেখেও বারবার স্ক্রিন বন্ধ করতে ভুলে যান।

৩. কোন অ্যাপ বেশি ব্যাটারি খাচ্ছে তা দেখুন

ফোনের Settings-এর Battery অংশে সাধারণত দেখা যায় কোন অ্যাপ সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করছে।

যদি কোনো অ্যাপ অস্বাভাবিকভাবে বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করে, তাহলে তার কারণ খুঁজে দেখা দরকার। অ্যাপটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, ব্যাকগ্রাউন্ডে বেশি কাজ করছে কি না বা কোনো সমস্যার কারণে অস্বাভাবিকভাবে শক্তি ব্যবহার করছে কি না—এসব পরীক্ষা করা যেতে পারে।

Android-এ Battery usage-এর মাধ্যমে অ্যাপভিত্তিক ব্যাটারি ব্যবহারের তথ্য দেখা যায়। (support.google.com)

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ থাকলে আনইনস্টল করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহারের অনুমতি সীমিত করা যেতে পারে।

৪. অপ্রয়োজনীয় লোকেশন বা GPS ব্যবহার বন্ধ রাখুন

GPS বা Location পরিষেবা কিছু অ্যাপের জন্য অত্যন্ত দরকারি। যেমন ম্যাপ, রাইড-শেয়ারিং বা লোকেশনভিত্তিক পরিষেবা।

কিন্তু প্রতিটি অ্যাপের সারাক্ষণ আপনার লোকেশন জানার প্রয়োজন নেই। অপ্রয়োজনীয় লোকেশন অ্যাক্সেস ব্যাটারি ব্যবহারে প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই কোন অ্যাপ কখন আপনার লোকেশন ব্যবহার করতে পারবে, সেটি Settings থেকে পরীক্ষা করে দেখা ভালো।

তবে নিরাপত্তা বা জরুরি পরিষেবার জন্য প্রয়োজনীয় লোকেশন ফিচার অকারণে বন্ধ না করাই ভালো।

৫. দুর্বল নেটওয়ার্ক এলাকায় ব্যাটারি ব্যবহারের দিকে নজর দিন

অনেক ব্যবহারকারী জানেন না যে দুর্বল মোবাইল সিগন্যালও ফোনের ব্যাটারি দ্রুত কমার একটি কারণ হতে পারে।

যে এলাকায় নেটওয়ার্ক খুব দুর্বল, সেখানে ফোন সংযোগ ধরে রাখার জন্য বেশি শক্তি ব্যবহার করতে পারে। Apple-এর ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকাতেও কম সিগন্যাল বা No Cell Coverage অবস্থায় ব্যাটারি ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। (support.apple.com)

এমন এলাকায় Wi-Fi পাওয়া গেলে Wi-Fi ব্যবহার করা যেতে পারে। আর যেখানে দীর্ঘ সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই এবং ফোনে যোগাযোগের প্রয়োজনও নেই, সেখানে Airplane Mode ব্যবহার করা যেতে পারে—তবে এটি চালু করলে মোবাইল কল ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে।

৬. অপ্রয়োজনীয় Background App Refresh বা ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম কমান

কিছু অ্যাপ আপনি সামনে না থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে তথ্য আপডেট করতে পারে। সব অ্যাপের ক্ষেত্রে এই সুবিধা সবসময় দরকার হয় না।

যে অ্যাপগুলো নিয়মিত ব্যবহার করেন না, সেগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম সীমিত করা যেতে পারে। এতে কিছু ক্ষেত্রে ব্যাটারি এবং ডেটা উভয়ই সাশ্রয় হতে পারে।

তবে সব ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া সব সময় ভালো নয়। মেসেজিং, ই-মেইল বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত অ্যাপের কিছু ফিচার সঠিকভাবে কাজ করতে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাক্সেস প্রয়োজন হতে পারে।

তাই অ্যাপ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো।

৭. অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন

প্রতিটি নোটিফিকেশন আসার সময় ফোনের স্ক্রিন জ্বলে উঠতে পারে, শব্দ হতে পারে বা ফোন কম্পন করতে পারে। দিনে যদি শত শত অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন আসে, তাহলে ব্যাটারি ব্যবহারের পাশাপাশি মনোযোগও নষ্ট হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, শপিং অ্যাপ বা অন্যান্য অ্যাপের যেসব নোটিফিকেশন আপনার জন্য জরুরি নয়, সেগুলো বন্ধ করে দিতে পারেন।

এতে ফোনের অপ্রয়োজনীয় স্ক্রিন অন হওয়া ও ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।

৮. Battery Saver বা Low Power Mode ব্যবহার করুন

ফোনের চার্জ খুব কমে গেলে Battery Saver বা Low Power Mode একটি কার্যকর ফিচার হতে পারে।

এই মোড সাধারণত কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, পারফরম্যান্স বা অন্যান্য শক্তি-ব্যবহারকারী ফিচার সীমিত করে ব্যাটারি বেশি সময় ধরে রাখতে সাহায্য করে।

Android ফোনে Battery Saver এবং iPhone-এ Low Power Mode ব্যবহার করা যায়। Google ও Apple উভয়ের নির্দেশিকাতেই এই ধরনের power-saving সুবিধা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। (support.google.com)

তবে এই মোড চালু থাকলে কিছু অ্যাপের আপডেট বা অন্যান্য কার্যক্রম স্বাভাবিকের তুলনায় সীমিত হতে পারে।

৯. ফোন অতিরিক্ত গরম হওয়া এড়িয়ে চলুন

ব্যাটারির স্বাস্থ্যের জন্য তাপমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত গরম পরিবেশে ফোন ব্যবহার বা চার্জ করা ব্যাটারির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

Apple-এর তথ্য অনুযায়ী, খুব বেশি বা খুব কম তাপমাত্রার পরিবেশে ডিভাইস ব্যবহার বা চার্জ করলে ব্যাটারির আচরণ ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। (support.apple.com)

দীর্ঘ সময় গেম খেলার সময় ফোন অতিরিক্ত গরম হলে কিছু সময় বিরতি দিন। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন অস্বাভাবিক গরম হলে কারণটি খুঁজে দেখা উচিত।

ফোনকে সরাসরি রোদে রেখে দেওয়া বা অত্যন্ত গরম জায়গায় ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকুন।

১০. পুরোনো ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুন

কখনও কখনও ফোনের সেটিংস ঠিক করার পরও ব্যাটারি খুব দ্রুত শেষ হয়। এর কারণ হতে পারে ব্যাটারির স্বাভাবিক aging বা দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ক্ষমতা কমে যাওয়া।

Lithium-ion ব্যাটারি সময়ের সঙ্গে চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা হারাতে পারে। Apple-এর তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারির রাসায়নিক বয়স বাড়ার সঙ্গে এর capacity এবং peak performance কমতে পারে। (support.apple.com)

iPhone-এ Battery Health & Charging অংশে ব্যাটারির স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য দেখা যায়। Android ফোনে মডেলভেদে Battery Health বা Diagnostic-এর মতো অপশন থাকতে পারে।

যদি ফোন অস্বাভাবিক দ্রুত চার্জ হারায়, হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় বা ব্যাটারি ফুলে যাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে নিজে ব্যাটারি খুলে না দেখে অনুমোদিত সার্ভিস সেন্টারে পরীক্ষা করানো উচিত।

কোন কাজগুলো করলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হতে পারে?

ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে এমন কিছু সাধারণ ব্যবহার হলো—

  • দীর্ঘ সময় সর্বোচ্চ brightness-এ ফোন ব্যবহার
  • ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভিডিও দেখা
  • দীর্ঘ সময় ভারী গেম খেলা
  • দুর্বল নেটওয়ার্কে দীর্ঘ সময় মোবাইল ডেটা ব্যবহার
  • অনেক অ্যাপকে সারাক্ষণ ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু রাখা
  • অতিরিক্ত GPS/Location ব্যবহার
  • ফোন অতিরিক্ত গরম অবস্থায় ব্যবহার করা
  • অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন চালু রাখা

এর মধ্যে সবকিছু একসঙ্গে ব্যাটারি দ্রুত শেষ করবে এমন নয়। আপনার ফোনে কোন কারণটি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে, সেটি Battery usage-এর তথ্য দেখে বোঝার চেষ্টা করা ভালো।

চার্জ দেওয়ার সময় কী কী মনে রাখবেন?

বর্তমান স্মার্টফোনের ব্যাটারি সাধারণত Lithium-ion বা Lithium-polymer প্রযুক্তির। এগুলোর চার্জ ব্যবস্থাপনা আগের প্রজন্মের ব্যাটারির তুলনায় উন্নত।

তবে চার্জ দেওয়ার সময় অতিরিক্ত তাপ এড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। Apple-এর তথ্য অনুযায়ী, চার্জিংয়ের সময় অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। (support.apple.com)

ফোন চার্জ দেওয়ার সময় অস্বাভাবিক গরম হলে বিষয়টি খেয়াল করুন। ভালো মানের এবং ফোনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চার্জার ও কেবল ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

“প্রতিবার ব্যাটারি একেবারে শূন্য শতাংশে নামিয়ে তারপর ১০০ শতাংশ চার্জ করতেই হবে”—এমন পুরোনো ধারণা আধুনিক Lithium-ion ব্যাটারির ক্ষেত্রে অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই।

ব্যাটারি দ্রুত শেষ হলে প্রথমে কী করবেন?

হঠাৎ লক্ষ্য করলেন আজ ফোনের ব্যাটারি অন্য দিনের তুলনায় অনেক দ্রুত কমছে। তখন একসঙ্গে অনেক সেটিংস পরিবর্তন না করে কয়েকটি বিষয় পরীক্ষা করুন।

প্রথমে Settings > Battery-এ গিয়ে কোন অ্যাপ সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যবহার করছে তা দেখুন।

এরপর দেখুন—

  • স্ক্রিন কতক্ষণ চালু ছিল
  • কোনো অ্যাপ অস্বাভাবিক বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করছে কি না
  • ফোন অতিরিক্ত গরম হচ্ছে কি না
  • নেটওয়ার্ক সিগন্যাল খুব দুর্বল কি না
  • সম্প্রতি কোনো নতুন অ্যাপ ইনস্টল করেছেন কি না
  • কোনো সফটওয়্যার আপডেটের পর সমস্যা শুরু হয়েছে কি না

এভাবে কারণটি শনাক্ত করা গেলে সমাধান করা অনেক সহজ হয়।

ফোনের ব্যাটারি কি সারারাত চার্জে রাখা যাবে?

বর্তমান অনেক স্মার্টফোনেই ব্যাটারি চার্জিং নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন প্রযুক্তি রয়েছে। ফলে ফোন ১০০ শতাংশে পৌঁছানোর পর চার্জ ব্যবস্থাপনা আগের তুলনায় অনেক উন্নত।

তবে ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের জন্য অতিরিক্ত তাপ এড়ানো এবং ফোন নির্মাতার দেওয়া Optimized Charging বা Adaptive Charging-এর মতো সুবিধা থাকলে তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

Apple-এর Optimized Battery Charging এবং Android-এর Adaptive Charging-এর মতো প্রযুক্তি দীর্ঘ সময় চার্জে রাখার প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। (support.apple.com)

তবে ফোনের মডেল অনুযায়ী ফিচারের নাম ও কাজের ধরন আলাদা হতে পারে।

শেষ কথা

স্মার্টফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া মানেই ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে—এমন নয়। অনেক সময় স্ক্রিনের brightness, দীর্ঘক্ষণ ভিডিও বা গেম, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক, GPS এবং অতিরিক্ত গরম হওয়ার মতো বিষয়গুলোই প্রধান কারণ হতে পারে।

তাই প্রথমে Battery usage দেখে সমস্যার কারণ শনাক্ত করুন। এরপর স্ক্রিনের brightness কমানো, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও নোটিফিকেশন সীমিত করা, Battery Saver বা Low Power Mode ব্যবহার করা এবং ফোনকে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করার মতো সহজ পদক্ষেপ নিন।

আর যদি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও ব্যাটারি অস্বাভাবিক দ্রুত শেষ হয়, তাহলে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা ভাবুন।

ব্যাটারি দীর্ঘক্ষণ চালানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো শুধু চার্জ বাঁচানো নয়—ফোন কীভাবে ব্যাটারি ব্যবহার করছে, সেটি বুঝে ব্যবহার করার অভ্যাস তৈরি করা।

Leave a Comment

Created with ❤