New Train Stoppage নতুন ট্রেনের স্টপেজ শুরু : সামনেই নির্বাচন, আর তার আগেই সাধারণ মানুষের জন্য এক বিরাট সুখবর নিয়ে এল ভারতীয় রেল। যাতায়াতের সুবিধার্থে এবার উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীন পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং বিহারের একাধিক রুটে শুরু হতে চলেছে নতুন ট্রেনের স্টপেজ। রেল কর্তৃপক্ষের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে প্রতিদিনের যাত্রীদের মধ্যে খুশির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। বহু প্রতীক্ষিত এই সুবিধার ফলে এখন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও খুব সহজেই রাজধানী বা এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা নিজেদের বাড়ির কাছের স্টেশনেই পেয়ে যাবেন।
এক নজরে
সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর করতে ভারতীয় রেলের এক অভাবনীয় এবং প্রশংসনীয় উদ্যোগ
বেশ কিছুদিন ধরেই রেলযাত্রীদের একটা বড় দাবি ছিল নিজেদের এলাকার স্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেনের বিরতি নিয়ে। সেই অভাবনীয় দাবি এবার বাস্তবে রূপ পেতে চলেছে। মোট ৮২টি স্টেশনে অতিরিক্ত ট্রেনের স্টপ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে গ্রাম থেকে শহর, সব জায়গার মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এক বিরাট পরিবর্তন আসতে চলেছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর সাথে দেশের অন্যান্য বড় শহরের রেল যোগাযোগ আরও উন্নত হওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই নতুন ট্রেনের স্টপেজ শুরু হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে রীতিমতো উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। মানুষ আনন্দে একে অপরকে মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন, স্টেশনে এসে ফুল ও করতালির মাধ্যমে ট্রেনগুলোকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এতদিন যেসব প্রিমিয়াম ট্রেনের সুবিধা পেতে গেলে মানুষকে অনেকটা দূরে বড় কোনও জংশনে যেতে হতো, এখন সেই ট্রেন থামার সুবিধা তারা নিজেদের ঘরের কাছের স্টেশনেই পাচ্ছেন। এটি শুধু একটি যাতায়াতের সুবিধা নয়, বরং প্রান্তিক এলাকার মানুষের প্রতি রেলওয়ের এক বিরাট উপহার।
অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশনে কোন কোন ট্রেনের স্টপেজ বৃদ্ধি করা হলো তা এক নজরে দেখে নিন
এই ঘোষণায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের নাম উঠে এসেছে যেগুলো এখন থেকে ছোট এবং মাঝারি স্টেশনগুলোতেও থামবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ধেমাজি ও শিবসাগর টাউন রেলওয়ে স্টেশন, যেখানে ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো একটি ভিআইপি ট্রেনের বিরতি দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ এই ঘটনাটিকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। সরাসরি দেশের রাজধানীর সাথে যুক্ত হতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা অত্যন্ত গর্বিত এবং উচ্ছ্বসিত।
এর পাশাপাশি কমারবান্ধা আলি স্টেশনে গুয়াহাটি-লিডু ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস এবং কালচিনি স্টেশনে শিলিগুড়ি-বামনহাট এক্সপ্রেসের বিরতি শুরু হওয়ার ফলে প্রতিদিনের যাত্রী এবং চা বাগানের কর্মীদের যাতায়াতে ব্যাপক সুবিধা হয়েছে। আগে চা বাগানের শ্রমিকদের যাতায়াতে অনেক কষ্ট করতে হতো, কিন্তু ট্রেনের এই নতুন হল্ট তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। নিচে একটি তালিকার মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনের নাম ও সেখানে থামতে চলা ট্রেনের বিবরণ দেওয়া হলো:
- ধেমাজি ও শিবসাগর টাউন স্টেশন: এই দুটি স্টেশনে ডিব্রুগড়-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস (২০৫০৫/২০৫০৬ এবং ২০৫০৩/২০৫০৪) থামবে, যা সরাসরি দিল্লির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবে।
- কমারবান্ধা আলি ও কালচিনি স্টেশন: গুয়াহাটি-লিডু ইন্টারসিটি এবং শিলিগুড়ি-বামনহাট এক্সপ্রেসের বিরতি শুরু হওয়ায় লোকাল যাত্রী এবং চা বাগানের কর্মীরা উপকৃত হবেন।
- নিউ কোচবিহার স্টেশন: এখানে গুয়াহাটি-নিউ দিল্লি এক্সপ্রেসের (২২৪৪৯) স্টপেজ চালু হয়েছে, যা উদ্বোধনের দিন যাত্রীরা ফুল দিয়ে উদযাপন করেছেন।
- গোয়ালপাড়া টাউন স্টেশন: গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেসের (১২৩৪৬/১২৩৪৫) মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনটি এবার থেকে এখানে দাঁড়াবে।
- সরুপেটা স্টেশন: আলিপুরদুয়ার-মরিয়নি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের (১৫৭৬৯/১৫৭৭০) বিরতি এই এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
প্রিমিয়াম ট্রেনের পরিষেবা এখন প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ায় উচ্ছ্বাসিত স্থানীয় বাসিন্দারা
এতদিন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের একটা বড় আক্ষেপ ছিল যে, রাজধানী বা সরাইঘাট এক্সপ্রেসের মতো নামিদামি ট্রেনগুলো তাদের স্টেশনের ওপর দিয়ে হুস করে বেরিয়ে যেত, কিন্তু সেই ট্রেনগুলোতে ওঠার কোনো উপায় ছিল না। এবার নতুন ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সেই আক্ষেপ পুরোপুরি ঘুচল। লয়ার অসমে গোয়ালপাড়া টাউন স্টেশনে গুয়াহাটি-হাওড়া সরাইঘাট এক্সপ্রেসের বিরতি শুরু হওয়াকে স্থানীয়রা একটি যুগান্তকারী রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের মধ্যে আন্তঃরাজ্য যাতায়াত ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক বেশি মসৃণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়ে উঠবে।
শুধু তাই নয়, নলবাড়ি স্টেশনেও শিলঘাট টাউন-তাম্বারম এক্সপ্রেস এবং লালগড়-ডিব্রুগড় অবধ আসাম এক্সপ্রেসের মতো লম্বা দূরত্বের ট্রেনের স্টপেজ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ ভারত বা উত্তর ভারতের অন্যান্য প্রান্তের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হয়ে গেল। এলাকার মানুষ রেলের এই জনকেন্দ্রিক পদক্ষেপগুলোকে অত্যন্ত ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এর ফলে তাদের অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পাবে এবং ভারতীয় রেলওয়ের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে।
কোন রুটে কোন ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হয়েছে, সেই সম্পর্কে যাত্রীদের সুবিধার্থে একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের তরফ থেকে একাধিক রুটে এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কোন স্টেশনে কোন ট্রেন দাঁড়াচ্ছে, সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষের একটা পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। এর ফলে তারা আগে থেকেই নিজেদের যাত্রাপথ পরিকল্পনা করতে পারবেন। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন এবং ট্রেনের স্টপেজ সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:
| রেলওয়ে স্টেশনের নাম | ট্রেনের নাম ও নম্বর | ট্রেনের যাতায়াতের রুট |
|---|---|---|
| ধেমাজি রেলওয়ে স্টেশন | রাজধানী এক্সপ্রেস (২০৫০৫/২০৫০৬) | ডিব্রুগড় – নিউ দিল্লি |
| শিবসাগর টাউন স্টেশন | রাজধানী এক্সপ্রেস (২০৫০৩/২০৫০৪) | ডিব্রুগড় – নিউ দিল্লি |
| কমারবান্ধা আলি স্টেশন | ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস (১৫৬০৩/১৫৬০৪) | গুয়াহাটি – লিডু |
| কালচিনি রেলওয়ে স্টেশন | শিলিগুড়ি-বামনহাট এক্সপ্রেস (১৫৪৬৭/১৫৪৬৮) | শিলিগুড়ি – বামনহাট |
| নিউ কোচবিহার জংশন | গুয়াহাটি-নিউ দিল্লি এক্সপ্রেস (২২৪৪৯) | গুয়াহাটি – নিউ দিল্লি |
| গোয়ালপাড়া টাউন স্টেশন | সরাইঘাট এক্সপ্রেস (১২৩৪৬/১২৩৪৫) | গুয়াহাটি – হাওড়া |
যাতায়াতের নতুন সুবিধার ফলে প্রতিদিনের সাধারণ মানুষের জীবনে ঠিক কী কী ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে
ট্রেন থামার সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনে বেশ কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে চলেছে। প্রথমত, লম্বা দূরত্বের ট্রেন ধরার জন্য মানুষকে আর গাড়ি ভাড়া করে দূরবর্তী কোনো স্টেশনে যেতে হবে না, যার ফলে তাদের অনেকটা সময় এবং অর্থ দুটোই বেঁচে যাবে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ এবং রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে ভিন রাজ্যে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই নতুন ট্রেনের স্টপেজ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
এছাড়া, দৈনন্দিন অফিসযাত্রী এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। গ্রাম ও মফস্বল এলাকার ব্যবসায়ীরা খুব সহজেই বড় শহরগুলোতে নিজেদের উৎপাদিত জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারবেন। চা বাগানের শ্রমিকদের যাতায়াতের যে দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল, তারও একটা স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে। সামগ্রিকভাবে দেখতে গেলে, এই উদ্যোগগুলোর ফলে ওই সমস্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিচে এর কিছু মূল সুবিধার কথা তালিকাভুক্ত করা হলো:
- দূরপাল্লার ট্রেন ধরার জন্য যাত্রীদের আর দূরের কোনো বড় জংশনে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না, এতে সময় ও অর্থের প্রচুর সাশ্রয় হবে।
- চা বাগানের শ্রমিক এবং মফস্বলের সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক যাতায়াত ব্যবস্থা আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি দ্রুত ও সহজলভ্য হয়ে উঠবে।
- অসম, পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের মধ্যে আন্তঃরাজ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে, যা ব্যবসাবাণিজ্যের প্রসারে দারুণভাবে সাহায্য করবে।
- জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই রাজধানীর মতো বড় শহরগুলোতে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই পৌঁছাতে পারবেন।
ভারতীয় রেলওয়ের নতুন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে থাকা কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তাদের উত্তর
নতুন এই নির্দেশিকা জারি হওয়ার পর থেকে যাত্রীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কোন ট্রেন কোথায় থামবে, এর ফলে লোকাল ট্রেনের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে কি না, এই ধরনের নানান জিজ্ঞাসা মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে এই সংক্রান্ত কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।
মোট কতগুলি রেলওয়ে স্টেশনে অতিরিক্ত এই স্টপেজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে?
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অধীনস্থ পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং বিহার রাজ্যের মোট ৮২টি স্টেশনে যাত্রীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত ট্রেনের স্টপ বা বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে বহু ছোট এবং মাঝারি আকারের স্টেশন রয়েছে।
এই স্টপেজ বৃদ্ধির ফলে চা বাগানের শ্রমিকদের দৈনন্দিন জীবনে কী ধরনের সুবিধা হবে?
কমারবান্ধা আলি এবং কালচিনি-র মতো বেশ কিছু স্টেশনে নতুন ট্রেনের স্টপেজ শুরু হওয়ার ফলে প্রতিদিন যাতায়াত করা চা বাগানের শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই দূর হবে। তারা এখন খুব সহজেই নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন, যা তাদের কাজের ক্ষেত্রেও গতি আনবে এবং আর্থিক সাশ্রয় করবে।
রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেন কি এখন থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছোট স্টেশনেও থামবে?
হ্যাঁ, রেলের এই উদ্যোগে ধেমাজি এবং শিবসাগর টাউনের মতো স্টেশনে ডিব্রুগড়-নিউ দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রান্তিক এলাকার সাধারণ মানুষও সরাসরি দেশের রাজধানীর সাথে যুক্ত হওয়ার এই অভাবনীয় সুযোগ পাচ্ছেন।
ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে এবং পরিবহন ব্যবস্থাকে মজবুত করতে রেলের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ
সামনেই যখন নির্বাচনের আবহ, ঠিক সেই সময়ে রেলওয়ের এই একগুচ্ছ নতুন সুযোগ সুবিধা দেওয়াকে অনেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। যদিও এর ফলে আখেরে লাভবান হচ্ছেন সাধারণ মানুষই। অতিরিক্ত স্টপেজগুলিকে এলাকার মানুষ কেবল উন্নত পরিবহন সুবিধা হিসাবেই দেখছেন না, বরং নিজেদের অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বের স্বীকৃতি হিসাবেও সাদরে গ্রহণ করছেন।
জনগণের এই আবেগ এবং উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে যে, সঠিক পরিকাঠামো উন্নয়ন সাধারণ মানুষের মনে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতীয় রেল এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে এই জনকেন্দ্রিক পদক্ষেপগুলির মাধ্যমে জনসাধারণের আস্থা আরও মজবুত করতে সক্ষম হয়েছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিষেবা এবং নাগরিক কল্যাণের প্রতি তাদের এই অঙ্গীকার আগামী দিনে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে তা বলাই বাহুল্য। আপনিও যদি এই রুটগুলোতে যাতায়াত করে থাকেন, তাহলে আপনার কাছাকাছি স্টেশনে কোন নতুন ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হলো, তা অবশ্যই একবার খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। আপনার কি মনে হয়, আপনার এলাকার স্টেশনেও এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের বিরতি দেওয়া উচিত?








